পরীক্ষার দুই মাস আগে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী একই ভুল করে — যে অধ্যায়গুলো পড়া হয়নি, সেগুলো নতুন করে শুরু করে। ফলে আগে পড়া অধ্যায়গুলোও ভুলে যেতে থাকে। শেষ ৬০ দিনের কাজ নতুন জিনিস শেখা নয়, বরং যা জানেন তা পরীক্ষার হলে ঠিকঠাক লিখতে পারা।
প্রথম ১৫ দিন: কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন, তা মাপুন
প্রতিটি বিষয়ের অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দিন। স্কোরের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কোন অধ্যায়ে ভুল হচ্ছে তার তালিকা। ড্যাশবোর্ডের “দুর্বল বিষয়” অংশটি এ কাজেই।
- ৮০%-এর বেশি সঠিক — এই অধ্যায় শুধু রিভিশন
- ৫০–৮০% — সূত্র ও মূল ধারণা আরেকবার পড়ুন
- ৫০%-এর কম — এখানেই সবচেয়ে বেশি সময় দিন
১৬–৩৫ দিন: দুর্বল অধ্যায়ে মনোযোগ
প্রতিদিন দুটি দুর্বল অধ্যায় বেছে নিন। সকালে পড়ুন, সন্ধ্যায় সেই অধ্যায়ের ১০–১৫ মিনিটের টেস্ট দিন। একই অধ্যায়ের টেস্ট তিন দিন পর আবার দিন — দ্বিতীয়বারে স্কোর বাড়লে বুঝবেন পড়াটা মনে থাকছে।
৩৬–৫০ দিন: পূর্ণ সময়ের মডেল টেস্ট
এখন বোর্ড পরীক্ষার সময় ধরে পূর্ণাঙ্গ টেস্ট দিন, একটানা, ফোন দূরে রেখে। লক্ষ্য দুটি: সময় ব্যবস্থাপনা আর মনোযোগ ধরে রাখা। কোন প্রশ্নে বেশি সময় যাচ্ছে, ফলাফলের “সময়” অংশে খেয়াল করুন।
শেষ ১০ দিন: হালকা রিভিশন, ভারী ঘুম
নতুন কিছু নয়। নিজের ভুলের তালিকা, সূত্রের পাতা আর আগের টেস্টের ভুল উত্তরগুলো দেখুন। রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমান — ক্লান্ত মাথায় জানা প্রশ্নেও ভুল হয়।
একটা ছোট নিয়ম
প্রতিটি টেস্টের পর ৫ মিনিট শুধু ভুল উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা পড়ুন। স্কোর দেখে বন্ধ করে দিলে টেস্টের অর্ধেক লাভই হারিয়ে যায়।
